ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নতুন প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল বারহুম ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন। দায়িত্ব গ্রহণের এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যেই তিনি প্রাণ হারান। এর আগে, গত ১৮ মার্চ ইসরায়েলি বাহিনী গাজার তখনকার প্রধানমন্ত্রী ইশাম দা-লিসকে হত্যা করেছিল। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন ইসমাইল বারহুম।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ইসমাইল বারহুমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রোববার (২৩ মার্চ) রাতে দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। সেই হামলায় ইসমাইল বারহুমসহ আরও একজন নিহত হন। হামাসও তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। হামাস জানিয়েছে, ইসমাইল বারহুম নাসের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন, এবং সেখানেই তাকে হত্যা করা হয়।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেন, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী সফলভাবে গাজার হামাস সরকারের নতুন প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল বারহুমকে নাসের হাসপাতালে হত্যা করেছে।
ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর বরাত দিয়ে কাৎজ আরও বলেন, ইসমাইল বারহুম গাজার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই হামলায় নিহত হলেন, তার পূর্বসূরি ইশাম দা-লিসকেও কয়েকদিন আগে হত্যা করা হয়েছিল।
ইসমাইল বারহুমের ওপর চালানো হামলার দৃশ্য কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এবং বিবিসি অ্যারাবির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, আলজাজিরার এক সাংবাদিক নাসের হাসপাতালের সামনে থেকে সরাসরি সম্প্রচারের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই একটি ক্ষেপণাস্ত্র হাসপাতালটিতে আঘাত হানে।
হামলার পরপরই সেখানে আগুন ধরে যায় এবং অন্তত আটজন আহত হন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে, তবে হামলার ফলে হাসপাতালটি নতুন করে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।